So many people are attempting to take an intensive driving course such as intensive driving courses Maidstone Andy1st driving school
to be able to enhance their abilities. These courses are suitable for
individuals who wish to rapidly learn to drive. While you will find
courses of instruction for people just finding out how to drive, you
will find also intensive courses for those who happen to be driving for a
long time, but they are needing to visit certain courses.
You will find a couple of various kinds of intensive driving courses.
Among the courses may be the fundamental abilities intensive driving
course. This course provides you with probably the most sufficient time
driving, which help discover the fundamentals from the law of driving,
and theory of driving. This course will often run for 7 to 10 days. The
trainer usually offers evening and weekend courses. Defensive driving
courses are essentially for anyone that curently have their license -
they're more advances. These classes usually train different situations
and just how to prevent them. Motorists learn to maneuver such
situations, and make it easy for staying away from certain harmful
driving situations.
You will find a variety of benefits for intensive driving courses. One
being these intensive courses will really help lower vehicle insurance
policies rates rates, helping you meet certain needs to get certain
kinds of license. Another being, of course, that it takes only in
regards to a week to pass through. Even when you fail the sensible,
written exam, you'll have a chance to get it done over soon. They'll
even provide you with a later date lengthy, crash course.
All students can't uphold the intensive training driving course, because
of the truth that it's so fast pace. If you can't uphold the
concentration of the course, you cannot uphold the concentration of the
street. But however, lots of people can. This provides them the
abilities and confidence many need, in finding out how to drive.
Learning this very important skill in just per week approximately can
help a lot of individuals confidence. It is because there's a lot
there's to understand in vital abilities, and you are supported in
passing, and that means you are guaranteed in passing sooner or later
soon, such little time.
You will find benefits to using a high intensive driving course. It's
not only so time consuming, however for many they figure all this out in
a wide variety of fields. If you opt for these driving courses, you're
sure to be on the highway driving, and feeling safe, and assured, in no
time whatsoever.
For more information about driving school Maidstone Andy1st, please visit our website.
Tuesday, December 31, 2013
Saturday, November 30, 2013
কম্পিউটারের কমনসেন্স!
কম্পিউটারের কমনসেন্স!
কমনসেন্স বা সাধারণ বুদ্ধি সম্পন্ন কম্পিউটার তৈরি সংক্রান্ত গবেষণা
চলছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে। ছবি বিশ্লেষণ করে কমনসেন্স রপ্ত করার এ গবেষণা
প্রক্রিয়ায় কার্নেগি মেলন বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি কম্পিউটার প্রোগ্রামকে
ব্যবহার করা হচ্ছে। মানুষ যেভাবে সাধারণ জ্ঞান রপ্ত করে সেভাবে কম্পিউটার
প্রোগ্রাম সাধারণ জ্ঞান রপ্ত করতে সক্ষম হবে কিনা তা নিয়েই এ গবেষণা।
বিবিসি
অনলাইনের এক খবরে বলা হয়েছে, গবেষকেদের তৈরি কম্পিউটার প্রোগ্রামটির নাম
‘নেভার এন্ডিং ইমেজ লার্নার’ বা নেইল। এ প্রোগ্রামটির জন্য অর্থায়ন করেছে
যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা দপ্তর এবং গুগল।
নেইল প্রোগ্রামের মাধ্যমে
চলতি বছরের জুন মাস থেকে ৩০ লাখ ছবি বিশ্লেষণ করা হয়েছে। প্রায় পাঁচ লাখ
ছবি বিশ্লেষণ করে তার মধ্যে এক হাজার ৫০০ ছবিতে নির্দিষ্ট বস্তু শনাক্ত
করার পাশাপাশি ১০ লাখ ছবির মধ্যে এক হাজার ২০০ ছবিতে নির্দিষ্ট দৃশ্য খুঁজে
বের করতে সক্ষম হয়েছে এ প্রোগ্রামটি। এখন পর্যন্ত নেইল প্রোগ্রাম যা
শিখেছে তার মধ্যে রয়েছে-এয়ার বাস ৩৩০-এর সঙ্গে অ্যারোপ্লেনের মিল রয়েছে,
অ্যান্টিলোপ ও হরিণের মিল রয়েছে, চাকা গাড়ির অংশ প্রভৃতি।
নেইল
প্রোগ্রামের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট গবেষকেরা আশা করছেন, এ প্রোগ্রামটিকে আলাদা
করে কোনো প্রশিক্ষণ দেওয়ার প্রয়োজন পড়বে না। অর্থাত্ কোনো রকম প্রশিক্ষণ
ছাড়াই বিভিন্ন বস্তুর মধ্যে সম্পর্ক নির্ণয় করতে পারবে কম্পিউটার।
গবেষকেরা
বলেন, কম্পিউটার ভিশন প্রযুক্তি বা হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার মডেলের ওপর
ভিত্তি করে বিভিন্ন বস্তু কম্পিউটার শনাক্ত করতে সক্ষম। তবে বস্তু
শনাক্তকরণে নেইল প্রোগ্রামটি তথ্য ও উপাত্ত বিশ্লেষণ করতে সক্ষম
হবে।কার্নেগি মেলন বিশ্ববিদ্যালয়ের রোবটিকস ইনস্টিটিউটের গবেষক অভিনব
গুপ্তা
জানিয়েছেন, বাস্তব জগতের কিছু সাধারণ জ্ঞান শেখার ক্ষেত্রে ছবি
গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম হতে পারে। মানুষ যেমন ছবি দেখে সাধারণ জ্ঞান রপ্ত করে
তেমনি নেইল প্রোগ্রামও তা করতে সক্ষম হবে। তবে কম্পিউটার শেখার ক্ষেত্রে যে
ভুল করবে তা শোধরানোর জন্য মানুষের নির্দেশনা প্রয়োজন পড়বে।
যন্ত্রাংশ ঠান্ডা রাখতে ইলেকট্রনিক রক্ত!
যন্ত্রাংশ ঠান্ডা রাখতে ইলেকট্রনিক রক্ত!
প্রযুক্তির উত্কর্ষে কম্পিউটারের
সবকিছুই উন্নত
এবং পরিবর্তিত
হচ্ছে।
কম্পিউটারের প্রসেসর ক্রমে উন্নত এবং
শক্তিশালী হলেও একটি সমস্যা থেকেই
যাচ্ছে।
আর তা
হলো, অনেক
শক্তিশালী চিপ হওয়া সত্ত্বেও ব্যবহারের
সময় এগুলো
গরম হয়ে
ওঠে।
তবে এগুলো
ঠান্ডা রাখতে
এবং খুব
বেশি গরম
যাতে না
হয় সে
জন্য বিজ্ঞানীরা
এবার নতুন
এক উপায়
বের করেছেন। চিপ
ঠান্ডা রাখার
কাজে এবার
ব্যবহার করা
হবে ইলেকট্রনিক
রক্ত।
ইন্টারন্যাশনাল বিজনেস মেশিনস (আইবিএম) করপোরেশন অনেক দিন ধরেই কম্পিউটারের যন্ত্রাংশ ঠান্ডা রাখার জন্য কার্যকরী উপায় বের করার চেষ্টা করে আসছিল। বর্তমানে সাধারণ কম্পিউটারের যন্ত্রাংশগুলো বাতাসের সাহায্যে ঠান্ডা করার ব্যবস্থা রয়েছে। কম্পিউটার ঠান্ডা রাখার জন্য মানবদেহের মতো চিপগুলোতেও তরল ‘রক্ত’ ব্যবহার করা হবে। কারণ, মানবদেহের অধিকাংশ তাপ নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য রক্তের ভূমিকা রয়েছে। আইবিএমের দুই কর্মকর্তা প্যাট্রিক রাচ এবং ব্রুনো বিল্ট এ প্রসঙ্গে জানান, কম্পিউটারের চিপগুলোতে সূক্ষ্ম চ্যানেল বা নালি থাকবে। এ নালির মধ্য দিয়ে ‘রক্ত’ প্রবাহিত হবে। এ তরল শুধু চিপগুলোকে ঠান্ডাই রাখবে না, পাশাপাশি এতে শক্তিও জোগান দিতে পারবে।
বিজ্ঞানীরা আশা করছেন, নতুন এ পদ্ধতির বাস্তবায়ন হলে ছোট পরিসরে কম্পিউটার চিপের শক্তি যেমন বাড়বে, তেমনি এর উত্পাদন ব্যয়ও অনেক কমে আসবে। উদাহরণস্বরূপ, গুগল তার নিজস্ব ডেটা সেন্টার ঠান্ডা রাখতে প্রতিবছর কোটি কোটি ডলার ব্যয় করে থাকে।
ইন্টারন্যাশনাল বিজনেস মেশিনস (আইবিএম) করপোরেশন অনেক দিন ধরেই কম্পিউটারের যন্ত্রাংশ ঠান্ডা রাখার জন্য কার্যকরী উপায় বের করার চেষ্টা করে আসছিল। বর্তমানে সাধারণ কম্পিউটারের যন্ত্রাংশগুলো বাতাসের সাহায্যে ঠান্ডা করার ব্যবস্থা রয়েছে। কম্পিউটার ঠান্ডা রাখার জন্য মানবদেহের মতো চিপগুলোতেও তরল ‘রক্ত’ ব্যবহার করা হবে। কারণ, মানবদেহের অধিকাংশ তাপ নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য রক্তের ভূমিকা রয়েছে। আইবিএমের দুই কর্মকর্তা প্যাট্রিক রাচ এবং ব্রুনো বিল্ট এ প্রসঙ্গে জানান, কম্পিউটারের চিপগুলোতে সূক্ষ্ম চ্যানেল বা নালি থাকবে। এ নালির মধ্য দিয়ে ‘রক্ত’ প্রবাহিত হবে। এ তরল শুধু চিপগুলোকে ঠান্ডাই রাখবে না, পাশাপাশি এতে শক্তিও জোগান দিতে পারবে।
বিজ্ঞানীরা আশা করছেন, নতুন এ পদ্ধতির বাস্তবায়ন হলে ছোট পরিসরে কম্পিউটার চিপের শক্তি যেমন বাড়বে, তেমনি এর উত্পাদন ব্যয়ও অনেক কমে আসবে। উদাহরণস্বরূপ, গুগল তার নিজস্ব ডেটা সেন্টার ঠান্ডা রাখতে প্রতিবছর কোটি কোটি ডলার ব্যয় করে থাকে।
ফোন-চোর ধরার অব্যর্থ সফটওয়্যার!
ফোন-চোর ধরার অব্যর্থ সফটওয়্যার!
মোবাইল ফোন চুরি বা ছিনতাই হলে ব্যবহারকারীর গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিগত ও প্রয়োজনীয় তথ্য চলে যেতে পারে দুর্বৃত্তের হাতে। মার্কিন প্রতিষ্ঠান লোজ্যাক সম্প্রতি অ্যাবসলিউট সফটওয়্যার নামে বিশেষ একটি সফটওয়্যার তৈরির দাবি করেছেন যা দূর থেকে মোবাইলটির অবস্থান শনাক্ত করতে পারে। এ ছাড়াও দূর থেকে মোবাইল লক করে দিতে এবং তথ্য মুছে দিতে পারে। এ সফটওয়্যারটির বিশেষ সুবিধা হচ্ছে কোনোভাবেই এটি মুঠোফোন থেকে সরানো সম্ভব নয়। অর্থাত্ মোবাইল ফোন চালু করলেই বিশেষ কম্পিউটার পদ্ধতির মাধ্যমে এর অবস্থান বের করা সম্ভব।
লোজ্যাকের গবেষকেদের দাবি, অ্যাবসলিউট এমন একটি সফটওয়্যার যা মুঠোফোনকে ফ্যাক্টরি রিসেট দিলেও সরানো সম্ভব নয়। মুঠোফোন ব্যবহারকারীর ব্যক্তিগত গোপনীয়তা রক্ষার জন্য এ সফটওয়্যারটিতে নানা ফিচার রয়েছে। দুর্বৃত্তের হাতে প্রয়োজনীয় তথ্যের অপব্যবহার রোধ করতে এ সফটওয়্যারটি বিশেষভাবে কাজে লাগবে। ডেইলি মেইলের এক খবরে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
লোজ্যাক কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, তাদের তদন্ত ও সুরক্ষা বিভাগের কর্মকর্তারা বিশেষ কম্পিউট্রেস পদ্ধতিটির সাহায্যে চুরি করা মোবাইল ফোনের অবস্থান শনাক্ত করতে পারবে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সাহায্য নিয়ে তা উদ্ধার করা যাবে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে লোজ্যাক কাজ করবে বলেও ইচ্ছা প্রকাশ করেছে।
গবেষকেরা বলেন, বর্তমানে স্মার্টফোনে দূর থেকে তথ্য মুছে দেওয়ার ও স্মার্টফোনের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার বিভিন্ন অ্যাপ্লিকেশন রয়েছে। কিন্তু স্মার্টফোনের ফ্যাক্টরি রিসেট দিলে তা মুছে যায়। তাই চুরি যাওয়া মোবাইল ফোনের হদিস পাওয়া কষ্টকর হয়ে দাঁড়ায়। লোজ্যাক দাবি করেছে, অ্যাবসলিউট সফটওয়্যার স্যামসাংয়ের গ্যালাক্সি ৪, স্যামসাং গ্যালাক্সি ট্যাব ৩-এর মতো পণ্যগুলোতে বিল্টইন ফার্মওয়্যার হিসেবে থাকবে। যাতে হারানো পণ্য শনাক্ত করতে ব্যবহারকারীদের সুবিধা হবে।
অ্যাবসলিউট সফটওয়্যারের নির্মাতা মার্ক গ্রেস জানিয়েছেন, বিশ্বব্যাপী স্মার্টফোন চুরি ব্যাপক হারে বেড়েছে। শুধু লন্ডনে প্রতিদিন ৩০০টির বেশি মোবাইল চুরি হয়। নির্মাতা প্রতিষ্ঠানটির ভাষ্য, প্রতিবছর নির্দিষ্ট পরিমাণ সাবসক্রিপশন ফি দিয়ে এ সফটওয়্যারটি ব্যবহার করা যাবে।
Posted by Jahid Aniket at 8:10 PM
আগুনে চার্জ হবে মুঠোফোন
আগুনে চার্জ হবে মুঠোফোন
সম্প্রতি এমনই এক
চার্জার তৈরি
করা হয়েছে,
যা আপনার
মুঠোফোন বা
স্মার্টফোনটিকে আগুনের সাহায্যে চার্জ করে
দিতে পারবে। ‘ফ্লেমস্টোয়ার’
নামের বিশেষ
এই চার্জার
আগুনের মাধ্যমে
ব্যাটারি চার্জ
করতে পারবে। এ
চার্জারে রয়েছে
একটি ইউএসবি
পোর্ট, ছোট
স্ট্যান্ড ও পানি রাখার পাত্র। দরকার
হবে আগুনের
সাহায্যে পানি
গরম করার
জন্য একটি
সমতল জায়গা। এটি
থার্মোইলেকট্রিক পদ্ধতিতে স্মার্টফোনের মতো ছোট
যন্ত্রকে চার্জ
দিয়ে থাকে। তাপমাত্রার
পার্থক্যই এই চার্জারে শক্তি উৎপন্ন
করবে।
এই প্রক্রিয়ায়
বেশি ভোল্টেজে
পানি গরম
হয়ে নিম্ন
বা কম
ভোল্টেজের (শীতল উপাদান) দিকে বিদ্যুৎ
প্রেরণ করে। তারপর
ইউএসবি এবং
কিছু অতিরিক্ত
শক্তির মাধ্যমে
এখান থেকে
বিদ্যুৎ প্রবাহিত
হবে।
যেকোনো ছোট যন্ত্র এই ইউএসবির তারের সাহায্যে এভাবে চার্জ করা যাবে। মজার ব্যাপার হলো, প্রতি এক মিনিটের চার্জে মুঠোফোনে তিন মিনিটের মতো কথা বলা যাবে। সাড়ে সাত ইঞ্চি লম্বা এবং ২ দশমিক ২৫ ইঞ্চি চওড়া এই চার্জার সহজে বহনযোগ্য। শুধু তা-ই নয়, ইচ্ছা করলে এটিকে ভাঁজ করে গুটিয়েও রাখা যাবে। পানি গরম করার জন্য ব্যবহারকারীকে শুধু সমতল জায়গায় একটি শিখা, অর্থাৎ একটি চুলা বা ক্যাম্পফায়ার রাখতে হবে।
যেকোনো ছোট যন্ত্র এই ইউএসবির তারের সাহায্যে এভাবে চার্জ করা যাবে। মজার ব্যাপার হলো, প্রতি এক মিনিটের চার্জে মুঠোফোনে তিন মিনিটের মতো কথা বলা যাবে। সাড়ে সাত ইঞ্চি লম্বা এবং ২ দশমিক ২৫ ইঞ্চি চওড়া এই চার্জার সহজে বহনযোগ্য। শুধু তা-ই নয়, ইচ্ছা করলে এটিকে ভাঁজ করে গুটিয়েও রাখা যাবে। পানি গরম করার জন্য ব্যবহারকারীকে শুধু সমতল জায়গায় একটি শিখা, অর্থাৎ একটি চুলা বা ক্যাম্পফায়ার রাখতে হবে।
নেটওয়ার্ক সংকেতের শক্তি বাড়বে
নেটওয়ার্ক সংকেতের শক্তি বাড়বে
এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এরিকসন জানিয়েছে, প্রযুক্তির অগ্রযাত্রায় ইন্টারনেট ও ফোনকলসেবার পণ্যের ব্যবহার বেড়ে গেছে। ফলে ভালোমানের নেটওয়ার্ক সংকেতের প্রয়োজন হয় এসব যন্ত্র ব্যবহারের ক্ষেত্রে। গোলাকৃতির এই যন্ত্রের ওজন মাত্র ৩০০ গ্রাম। ফলে যে কেউ হাতের মুঠোয় করেও এই ডিভাইসটি বহন করতে পারেন।
Subscribe to:
Comments (Atom)